Showing posts with label Health. Show all posts
Showing posts with label Health. Show all posts

ত্বক ভালো রাখুন ৩০ বছরের পরও




যৌবনের শেষ দিক, আর বার্ধক্যের দিকে ধীরপায়ে এগিয়ে চলা শুরু হয়। মানুষের জীবনে ৩০ বছর তাই একটা বড় পরিবর্তনের সময়। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে ত্বকের কিছু সমস্যা হয়। তবে ৩০ বছর বয়সে এসে সমস্যাগুলো হয় ভিন্ন ধরনের। ত্বকে ধীরে ধীরে বলিরেখা পড়তে শুরু করে। ব্রণও হয় কারো কারো। ত্বক তার জৌলুস হারাতে থাকে।  ধূমপান, মদ্যপান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ত্বকের সমস্যা আরো বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সময় ত্বকের যত্নটা করা চাই আরো সচেতনভাবে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে ৩০-এ পা দেওয়ার পর ত্বক ভালো রাখার কিছু পরামর্শ।

•     প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার করুন। ঘুমের আগে অবশ্যই মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। আর চোখে আইক্রিম লাগান। প্রতিদিন সকালে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘর থেকে বের হওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজার আর সান ব্লক মাখুন। চর্ম বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে ত্বকে এসব প্রসাধনী ব্যবহার করুন।

•    শরীরকে আর্দ্র রাখুন। এক ঘণ্টা পরপর অবশ্যই পানি পান করুন। শরীর ও আবহাওয়ার অবস্থা বুঝে দিনে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করুন। তবে কিডনির রোগীরা পানি পানের পরিমাণটি চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেবেন। 

•    গোসলের পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

•    অ্যান্টি অক্সিডেন্ট-জাতীয় খাবার খান। যেমন : বাদাম, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মিষ্টি আলু, কমলা রঙের শাকসবজি, গ্রিন টি ইত্যাদি খেতে পারেন।

•    ফেসিয়াল ও শরীর ম্যাসাজ করলে ত্বক ভালো থাকে। এগুলো করতে পারেন মাঝে মাঝে।

•    মানসিক চাপ ত্বকের ক্ষতি করে। মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান, শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম করতে পারেন। এসব বিষয়গুলো ৩০ বছর বয়সের পর ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

মধু আসল না নকল কীভাবে চিনবেন?



প্রাকৃতিক খাবারের মধ্যে অন্যতম হল মধু। মিষ্টি স্বাদের এই খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। আর খেতেও সুস্বাদু। তবে বাজার থেকে মধু কিনতে গেলে অনেকেই ভয়ের মধ্যে থাকেন। কেননা, নকল মধুর ভিড়ে খাঁটি মধু কোনটি, সেটি চেনাই মুশকিল হয়ে যায়। তাই বলে কি মধু খাওয়া বন্ধ থাকবে? একটু সতর্ক হয়ে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই কিন্তু বুঝবেন, আসল ও নকল মধু কোনটি।


প্রাকৃতিক মধু কারখানায় উৎপন্ন করা হয় না। তবে অনেকেই কারখানায় উৎপন্ন করে মধুকে প্রাকৃতিক হিসেবে বাজারে চালায়। তাই অনেক সময় খাঁটি মধু চেনা মুশকিল হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, নকল মধুগুলোতে বেশি লাভের জন্য চিনিযুক্ত সিরাপ মেশানো হয়। এতে মিষ্টির পরিমাণ বাড়ে। নকল মধু খেলে স্বাস্থ্যের কোনো লাভই হয় না। উল্টো স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। আর নকল জিনিস কিনলে টাকার অপচয় তো হয়ই।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে নকল মধু চেনার কিছু উপায়ের কথা।

আঙুলের পরীক্ষা
সামান্য মধু বৃদ্ধাঙ্গুলে নিন। এর পুরুত্ব দেখুন। আসল মধু অনেক বেশি আঠালো হবে।

পানির পরীক্ষা
একটি খালি গ্লাসে পানি নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ মধু ঢালুন। নকল মধু খুব দ্রুত পানির সঙ্গে মিশে যাবে। আর আসল মধু গ্লাসের তলানিতে গিয়ে জমতে থাকবে। পানিতে মিশতে সময় নেবে।

ভিনেগার পরীক্ষা
মধুর মধ্যে সামান্য পানি ও দুই থেকে তিন ফোঁটা ভিনেগার দিন। যদি ফেনার মতো তৈরি হয়, তাহলে বুঝবেন মধুটি নকল।
এ ছাড়া মধু দেখলেও অনেক সময় বোঝা যায় নকল কি আসল।
নকল মধু
•    ফেনা হয়।
•    একটু টকটক গন্ধ থাকে বা গন্ধ তেমন ভালো হয় না।
•    সহজে ঝরে যায়, পাতলা হয়।
•    তলানিটা খসখসে থাকে।
•    স্তরগুলো আলাদা করা যায়।
আসল মধু
•    ফেনা হয় না।
•    সব সময় পুরু থাকে।
•    তলানিটা মসৃণ হয়।
•    মধুর স্বাভাবিক সুন্দর গন্ধ থাকে।
•    স্তরগুলো আলাদা থাকে না।

এখন আপনি জানলেন, কীভাবে আসল ও নকল মধু চিনবেন। তাহলে কেনার সময় একটু সতর্ক হবেন নিশ্চয়।

দাতঁ ঝকঝকে রাখার উপায়



মুক্তোর মতো ঝকঝকে সাদা দাঁত, আর মিষ্টি হাসিতে বলে দেওয়া যায় অনেক কথা। কিন্তু অনেক সময় কালো বা হলদে দাঁতের কারণে হাসতে গিয়ে পড়তে হয় দ্বিধা-লজ্জায়। জীবনযাপন আর কিছু অভ্যাসের কারণে দাঁতের এমন রং স্বাভাবিক বিষয়।

সাধারণত মদ্যপান, অতিরিক্ত চা-কফি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব, ধূমপান প্রভৃতি কারণে দাঁতের রং নষ্ট হয়। দাঁতের স্বাভাবিক রং ফেরাতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু এর চেয়ে সাশ্রয়ী কিন্তু কার্যকরী তিনটি উপায়ে সুন্দর ঝকঝকে দাঁত পাওয়া যায়।
লেবু ও বেকিং পাউডারের পেস্ট
ঝকঝকে দাঁতের জন্য বেকিং পাউডারের কার্যকারিতার কথা অনেকে শুনে থাকবেন। এই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে টুথব্রাশে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখে এক মিনিট ধরে এই পেস্ট রেখে দিন এরপর ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যাসিড দাঁতের এনামেলের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না। তবে এই পেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, তাতে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে।


স্ট্রবেরি ও লবণের মিশ্রণ:

স্ট্রবেরিতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে যাতে দাঁত সাদা হয়। এতে ম্যালিক অ্যাসিড নামের এনজাইম আছে যা দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতে পারে। তিনটি স্ট্রবেরি গুঁড়ো করে তার সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তা ব্রাশে করে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখ ধুয়ে ফেলার আগে এ পেস্ট মুখে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। এতে বেকিং পাউডারও মিশাতে পারেন। তবে এই পেস্টও ঘন ঘন ব্যবহার না করাই ভালো।


নারকেল তেল:

মুখভর্তি নারকেল তেল মাউথওয়াশের মতো ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর তা কুলি করে ফেলে দিন। মুখ ধুয়ে ব্রাশ করে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এ পদ্ধতিতে দাঁত মাজা যেতে পারে।


যেভাবে দেহে পানির ঘাটতি রয়েছে বুঝবেন


পানির অপর নাম জীবন। প্রয়োজনীয় পানির অভাবে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকে কাজের চাপে বেমালুম ভুলে যাই পানি পানের কথা। এতে আস্তে আস্তে শরীরের দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। তবে কিছু লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন পানির ঘাটতির কথা। তাহলে চলুন জেনে নিই সেই লক্ষণগুলো-
১. জিভ শুকিয়ে যাওয়া: শরীরে পানির অভাবে জিভ শুকিয়ে যেতে পারে। কারণ জিভে তখন প্রয়োজনীয় লালা ক্ষরণ হয় না। ফলে জড়িয়ে যেতে পারে কথাও।
২. মাথাব্যথা  মাথা ঘোরা: শরীরে পানির অভাবে মাথাব্যথা হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, মাথা নিচু করে কিছু তোলার ক্ষেত্রে মাথা ঘোরে।
৩. খিদে খিদে ভাব: খাওয়ার পরও খিদে পাচ্ছে। এর কারণ হতে পারে দেহে পানির অভাব।
৪. মূত্রের রং  পরিমাণ: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৭ বার মূত্রত্যাগ হওয়া উচিত। মূত্রত্যাগের পরিমাণ যদি এর কম হয়, তাহলে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে । সেইসঙ্গে মূত্রের রংও বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির ঘাটতি। মূত্রের রং যদি হলদেটে বা গাঢ় হলুদ হয়, তাহলে অবিলম্বে পানি খাওয়া উচিত।
৫. শুষ্ক ত্বক: শুকনো খসখসে চামড়া বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির প্রয়োজন।

ভ্রমণে বমি ভাব এড়াবেন যেভাবে



ফুরফুরে মন নিয়ে বের হয়েছেন লম্বা ভ্রমণে, কিন্তু বাধ সেধে বসে বমি বমি ভাব। গাড়িতে উঠলেই হঠাৎ করেই বমির ভাব আসে। এটাকে অবশ্য ‘মোশন সিকনেস’ বলা হয়। এছাড়া তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, পেটে গ্যাস বা খাবার হজমে সমস্যা হলে প্রায়ই বমি বমি ভাব হয়। বমি বন্ধ করা ওষুধ খেয়েও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এই বমি বমি ভাব কিংবা বমি করাটা যেমন নিজের জন্য অস্বস্তিকর তেমনি অপরের জন্য বিব্রতকর। আর তাই এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সামলাতে কিছু দরকারি টিপস সম্পর্কে অবহিত হওয়া দরকার-
# অনেকেই দারুচিনি চিবুতে পছন্দ করেন। দারুচিনি ভারী খাবারের পর খেলে হজমে খুব সাহায্য করে। তাই হজমের সমস্যাজনিত কারণে বমিভাব হলে খেতে পারেন এক টুকরা দারুচিনি।
# বমি ভাব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী ভেষজ ওষুধ আদা। আদা কুচি করে কেটে মুখে নিয়ে চিবুতে পারেন। এতে করে আপনার বমি ভাবটি দূর হয়ে যাবে। যারা ঝাঁজ সহ্য করতে পারেন না, তারা একটু গরমপানিতে আদা সেদ্ধ দিন। এবার ওই পানি মুখে নিয়ে কুলি করলে মুখ থেকে বমির বিচ্ছিরি গন্ধও দূর হয়ে যাবে।
# অনেকের ক্ষেত্রে টক জাতীয় খাবারের ফলে শরীরের বমিভাব দূর হয়। লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা বমিভাব দূর করতে বেশ কার্যকরী। কিন্তু গ্যাস্ট্রিকজনিত বমির ভাব হলে লেবু না খাওয়াই ভালো। তাছাড়া বমি ভাব হলে লেবুপাতার গন্ধ উপকারে আসতে পারে। কারণ লেবুর পাতা শুকলে বমি বমি ভাব দূর হয়।

কফির যতো স্বাস্থ্যকারি উপকারিতা


সব পানীয়ের মধ্যে কফি একটি জনপ্রিয় পানীয়। সারাবিশ্বের কোটি কোটি মানুষ কফি পান করেন। পানীয়ের মধ্যে চায়ের পরেই কফির স্থান। সকালে এক কাপ কফি আপনার শরীরকে রাখে চনমনে রাখে। কফির রয়েছে অনেক গুণাগুণ। মানবদেহের জন্য কফি উপকারী।
ব্রুকলিন কলেজে এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন চার কাপ কফি হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় শতকরা ৫৩ ভাগ। নিয়মিত কফি পান করলে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্মৃতিভ্রংশ রোগ দেখা দেয়। এ রোগের কারণে মানুষ কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। নিয়মিত কফি পান এই রোগের ঝুঁকি শতকরা ৬০ ভাগ হ্রাস করে।
জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায় স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিষন্নতা রোধেও কফি কার্যকর। নিয়মিত কফি পান করলে বিষন্নতার ঝুঁকি শতকার ২০ ভাগ কমে যায়। প্রোস্টেট ক্যান্সারে প্রতিবছর সারাবিশ্বে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়।
প্রতিদিন ৩-৬ কাপ কফি পান করলে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি শতকরা ৬০ ভাগ হ্রাস পায়। ডায়াবেটিস রোধেও কফি কার্যকর। কফি বিপাক ক্রিয়া বাড়ায় এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কফি পান করুন এবং সুস্থ থাকুন।