Showing posts with label Health. Show all posts
Showing posts with label Health. Show all posts

ত্বক ভালো রাখুন ৩০ বছরের পরও




যৌবনের শেষ দিক, আর বার্ধক্যের দিকে ধীরপায়ে এগিয়ে চলা শুরু হয়। মানুষের জীবনে ৩০ বছর তাই একটা বড় পরিবর্তনের সময়। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালে ত্বকের কিছু সমস্যা হয়। তবে ৩০ বছর বয়সে এসে সমস্যাগুলো হয় ভিন্ন ধরনের। ত্বকে ধীরে ধীরে বলিরেখা পড়তে শুরু করে। ব্রণও হয় কারো কারো। ত্বক তার জৌলুস হারাতে থাকে।  ধূমপান, মদ্যপান, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ত্বকের সমস্যা আরো বাড়িয়ে দেয়। তাই এই সময় ত্বকের যত্নটা করা চাই আরো সচেতনভাবে।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথ ডাইজেস্ট জানিয়েছে ৩০-এ পা দেওয়ার পর ত্বক ভালো রাখার কিছু পরামর্শ।

•     প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার করুন। ঘুমের আগে অবশ্যই মেকআপ ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। আর চোখে আইক্রিম লাগান। প্রতিদিন সকালে ভালোভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ঘর থেকে বের হওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজার আর সান ব্লক মাখুন। চর্ম বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে ত্বকে এসব প্রসাধনী ব্যবহার করুন।

•    শরীরকে আর্দ্র রাখুন। এক ঘণ্টা পরপর অবশ্যই পানি পান করুন। শরীর ও আবহাওয়ার অবস্থা বুঝে দিনে অন্তত দেড় থেকে দুই লিটার পানি পান করুন। তবে কিডনির রোগীরা পানি পানের পরিমাণটি চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নেবেন। 

•    গোসলের পর অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

•    অ্যান্টি অক্সিডেন্ট-জাতীয় খাবার খান। যেমন : বাদাম, গাঢ় সবুজ শাকসবজি, মিষ্টি আলু, কমলা রঙের শাকসবজি, গ্রিন টি ইত্যাদি খেতে পারেন।

•    ফেসিয়াল ও শরীর ম্যাসাজ করলে ত্বক ভালো থাকে। এগুলো করতে পারেন মাঝে মাঝে।

•    মানসিক চাপ ত্বকের ক্ষতি করে। মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান, শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম করতে পারেন। এসব বিষয়গুলো ৩০ বছর বয়সের পর ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

মধু আসল না নকল কীভাবে চিনবেন?



প্রাকৃতিক খাবারের মধ্যে অন্যতম হল মধু। মিষ্টি স্বাদের এই খাবার স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। আর খেতেও সুস্বাদু। তবে বাজার থেকে মধু কিনতে গেলে অনেকেই ভয়ের মধ্যে থাকেন। কেননা, নকল মধুর ভিড়ে খাঁটি মধু কোনটি, সেটি চেনাই মুশকিল হয়ে যায়। তাই বলে কি মধু খাওয়া বন্ধ থাকবে? একটু সতর্ক হয়ে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলেই কিন্তু বুঝবেন, আসল ও নকল মধু কোনটি।


প্রাকৃতিক মধু কারখানায় উৎপন্ন করা হয় না। তবে অনেকেই কারখানায় উৎপন্ন করে মধুকে প্রাকৃতিক হিসেবে বাজারে চালায়। তাই অনেক সময় খাঁটি মধু চেনা মুশকিল হয়ে পড়ে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, নকল মধুগুলোতে বেশি লাভের জন্য চিনিযুক্ত সিরাপ মেশানো হয়। এতে মিষ্টির পরিমাণ বাড়ে। নকল মধু খেলে স্বাস্থ্যের কোনো লাভই হয় না। উল্টো স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। আর নকল জিনিস কিনলে টাকার অপচয় তো হয়ই।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম জানিয়েছে নকল মধু চেনার কিছু উপায়ের কথা।

আঙুলের পরীক্ষা
সামান্য মধু বৃদ্ধাঙ্গুলে নিন। এর পুরুত্ব দেখুন। আসল মধু অনেক বেশি আঠালো হবে।

পানির পরীক্ষা
একটি খালি গ্লাসে পানি নিন। এর মধ্যে এক টেবিল চামচ মধু ঢালুন। নকল মধু খুব দ্রুত পানির সঙ্গে মিশে যাবে। আর আসল মধু গ্লাসের তলানিতে গিয়ে জমতে থাকবে। পানিতে মিশতে সময় নেবে।

ভিনেগার পরীক্ষা
মধুর মধ্যে সামান্য পানি ও দুই থেকে তিন ফোঁটা ভিনেগার দিন। যদি ফেনার মতো তৈরি হয়, তাহলে বুঝবেন মধুটি নকল।
এ ছাড়া মধু দেখলেও অনেক সময় বোঝা যায় নকল কি আসল।
নকল মধু
•    ফেনা হয়।
•    একটু টকটক গন্ধ থাকে বা গন্ধ তেমন ভালো হয় না।
•    সহজে ঝরে যায়, পাতলা হয়।
•    তলানিটা খসখসে থাকে।
•    স্তরগুলো আলাদা করা যায়।
আসল মধু
•    ফেনা হয় না।
•    সব সময় পুরু থাকে।
•    তলানিটা মসৃণ হয়।
•    মধুর স্বাভাবিক সুন্দর গন্ধ থাকে।
•    স্তরগুলো আলাদা থাকে না।

এখন আপনি জানলেন, কীভাবে আসল ও নকল মধু চিনবেন। তাহলে কেনার সময় একটু সতর্ক হবেন নিশ্চয়।

দাতঁ ঝকঝকে রাখার উপায়



মুক্তোর মতো ঝকঝকে সাদা দাঁত, আর মিষ্টি হাসিতে বলে দেওয়া যায় অনেক কথা। কিন্তু অনেক সময় কালো বা হলদে দাঁতের কারণে হাসতে গিয়ে পড়তে হয় দ্বিধা-লজ্জায়। জীবনযাপন আর কিছু অভ্যাসের কারণে দাঁতের এমন রং স্বাভাবিক বিষয়।

সাধারণত মদ্যপান, অতিরিক্ত চা-কফি, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার অভাব, ধূমপান প্রভৃতি কারণে দাঁতের রং নষ্ট হয়। দাঁতের স্বাভাবিক রং ফেরাতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যান। কিন্তু এর চেয়ে সাশ্রয়ী কিন্তু কার্যকরী তিনটি উপায়ে সুন্দর ঝকঝকে দাঁত পাওয়া যায়।
লেবু ও বেকিং পাউডারের পেস্ট
ঝকঝকে দাঁতের জন্য বেকিং পাউডারের কার্যকারিতার কথা অনেকে শুনে থাকবেন। এই পাউডারের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে টুথব্রাশে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখে এক মিনিট ধরে এই পেস্ট রেখে দিন এরপর ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যাসিড দাঁতের এনামেলের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারবে না। তবে এই পেস্ট নিয়মিত ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন, তাতে উপকারের বদলে ক্ষতি হতে পারে।


স্ট্রবেরি ও লবণের মিশ্রণ:

স্ট্রবেরিতে প্রচুর ভিটামিন সি আছে যাতে দাঁত সাদা হয়। এতে ম্যালিক অ্যাসিড নামের এনজাইম আছে যা দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করতে পারে। তিনটি স্ট্রবেরি গুঁড়ো করে তার সঙ্গে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তা ব্রাশে করে নিয়ে দাঁত মাজুন। মুখ ধুয়ে ফেলার আগে এ পেস্ট মুখে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। এতে বেকিং পাউডারও মিশাতে পারেন। তবে এই পেস্টও ঘন ঘন ব্যবহার না করাই ভালো।


নারকেল তেল:

মুখভর্তি নারকেল তেল মাউথওয়াশের মতো ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর তা কুলি করে ফেলে দিন। মুখ ধুয়ে ব্রাশ করে ফেলুন। প্রতিদিন একবার এ পদ্ধতিতে দাঁত মাজা যেতে পারে।


যেভাবে দেহে পানির ঘাটতি রয়েছে বুঝবেন


পানির অপর নাম জীবন। প্রয়োজনীয় পানির অভাবে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকে কাজের চাপে বেমালুম ভুলে যাই পানি পানের কথা। এতে আস্তে আস্তে শরীরের দেখা দিতে পারে পানিশূন্যতা। তবে কিছু লক্ষণ আছে যা দেখে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন পানির ঘাটতির কথা। তাহলে চলুন জেনে নিই সেই লক্ষণগুলো-
১. জিভ শুকিয়ে যাওয়া: শরীরে পানির অভাবে জিভ শুকিয়ে যেতে পারে। কারণ জিভে তখন প্রয়োজনীয় লালা ক্ষরণ হয় না। ফলে জড়িয়ে যেতে পারে কথাও।
২. মাথাব্যথা  মাথা ঘোরা: শরীরে পানির অভাবে মাথাব্যথা হয়। সিঁড়ি দিয়ে ওঠা, মাথা নিচু করে কিছু তোলার ক্ষেত্রে মাথা ঘোরে।
৩. খিদে খিদে ভাব: খাওয়ার পরও খিদে পাচ্ছে। এর কারণ হতে পারে দেহে পানির অভাব।
৪. মূত্রের রং  পরিমাণ: একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে ৬-৭ বার মূত্রত্যাগ হওয়া উচিত। মূত্রত্যাগের পরিমাণ যদি এর কম হয়, তাহলে শরীরে পানির ঘাটতি রয়েছে । সেইসঙ্গে মূত্রের রংও বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির ঘাটতি। মূত্রের রং যদি হলদেটে বা গাঢ় হলুদ হয়, তাহলে অবিলম্বে পানি খাওয়া উচিত।
৫. শুষ্ক ত্বক: শুকনো খসখসে চামড়া বুঝিয়ে দেয় শরীরে পানির প্রয়োজন।

ভ্রমণে বমি ভাব এড়াবেন যেভাবে



ফুরফুরে মন নিয়ে বের হয়েছেন লম্বা ভ্রমণে, কিন্তু বাধ সেধে বসে বমি বমি ভাব। গাড়িতে উঠলেই হঠাৎ করেই বমির ভাব আসে। এটাকে অবশ্য ‘মোশন সিকনেস’ বলা হয়। এছাড়া তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, পেটে গ্যাস বা খাবার হজমে সমস্যা হলে প্রায়ই বমি বমি ভাব হয়। বমি বন্ধ করা ওষুধ খেয়েও অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায় না। এই বমি বমি ভাব কিংবা বমি করাটা যেমন নিজের জন্য অস্বস্তিকর তেমনি অপরের জন্য বিব্রতকর। আর তাই এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সামলাতে কিছু দরকারি টিপস সম্পর্কে অবহিত হওয়া দরকার-
# অনেকেই দারুচিনি চিবুতে পছন্দ করেন। দারুচিনি ভারী খাবারের পর খেলে হজমে খুব সাহায্য করে। তাই হজমের সমস্যাজনিত কারণে বমিভাব হলে খেতে পারেন এক টুকরা দারুচিনি।
# বমি ভাব দূর করতে সবচেয়ে কার্যকরী ভেষজ ওষুধ আদা। আদা কুচি করে কেটে মুখে নিয়ে চিবুতে পারেন। এতে করে আপনার বমি ভাবটি দূর হয়ে যাবে। যারা ঝাঁজ সহ্য করতে পারেন না, তারা একটু গরমপানিতে আদা সেদ্ধ দিন। এবার ওই পানি মুখে নিয়ে কুলি করলে মুখ থেকে বমির বিচ্ছিরি গন্ধও দূর হয়ে যাবে।
# অনেকের ক্ষেত্রে টক জাতীয় খাবারের ফলে শরীরের বমিভাব দূর হয়। লেবুর রসে রয়েছে সাইট্রিক এসিড যা বমিভাব দূর করতে বেশ কার্যকরী। কিন্তু গ্যাস্ট্রিকজনিত বমির ভাব হলে লেবু না খাওয়াই ভালো। তাছাড়া বমি ভাব হলে লেবুপাতার গন্ধ উপকারে আসতে পারে। কারণ লেবুর পাতা শুকলে বমি বমি ভাব দূর হয়।

কফির যতো স্বাস্থ্যকারি উপকারিতা


সব পানীয়ের মধ্যে কফি একটি জনপ্রিয় পানীয়। সারাবিশ্বের কোটি কোটি মানুষ কফি পান করেন। পানীয়ের মধ্যে চায়ের পরেই কফির স্থান। সকালে এক কাপ কফি আপনার শরীরকে রাখে চনমনে রাখে। কফির রয়েছে অনেক গুণাগুণ। মানবদেহের জন্য কফি উপকারী।
ব্রুকলিন কলেজে এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন চার কাপ কফি হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় শতকরা ৫৩ ভাগ। নিয়মিত কফি পান করলে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্মৃতিভ্রংশ রোগ দেখা দেয়। এ রোগের কারণে মানুষ কোনো কিছু মনে রাখতে পারে না। নিয়মিত কফি পান এই রোগের ঝুঁকি শতকরা ৬০ ভাগ হ্রাস করে।
জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা যায় স্মৃতিশক্তি বাড়াতে কফি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিষন্নতা রোধেও কফি কার্যকর। নিয়মিত কফি পান করলে বিষন্নতার ঝুঁকি শতকার ২০ ভাগ কমে যায়। প্রোস্টেট ক্যান্সারে প্রতিবছর সারাবিশ্বে হাজার হাজার মানুষ মারা যায়।
প্রতিদিন ৩-৬ কাপ কফি পান করলে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি শতকরা ৬০ ভাগ হ্রাস পায়। ডায়াবেটিস রোধেও কফি কার্যকর। কফি বিপাক ক্রিয়া বাড়ায় এবং চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত কফি পান করুন এবং সুস্থ থাকুন।

ত্বকের পক্ষে ক্ষতিকারক ৭টি খাবার


খাদ্য যেমন শরীরের উপকারি, তেমনই সমান ভাবে অপকারিও। কারণ বিভিন্ন ধরনের খাবার যেমন আপনাকে উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী করে তুলতে পারে, ঠিক তেমনই অনায়াসেই ত্বক খারাপও করে দিতে সক্ষম। যেমন আমরা অনেকেই জানি বেশি তেল জাতীয় খাবার আমাদের শরীর

খুশকি তাড়াতে ছেলেদের যা করতে হবে



সময়ের অভাব বা অচেতনতা যে কারণেই হোক, ছেলেরা রূপচর্চার দিকে খুব একটা নজর দেন না। যার ফলে খুশকির সমস্যায় ভুগে থাকেন অধিকাংশ

শীতে পুরুষের ত্বকের যত্ন


চলছে শীত মৌসুম। এসময় চারদিকে থাকে ধুলোবালির ওড়াউড়ি, শুষ্ক আবহাওয়া সঙ্গে রোদের দাপট। সারাদিন যাদের বাইরে নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়, তাদেরকে সবকিছুই সহ্য করতে হয়। বিশেষ করে বাইক চালানো পুরুষদের ত্বকে বেশি ধকল

ধুমপান এবার ছেড়েই দেবো !


এবার ছেড়েই দেবো। সিগারেটের অভ্যাসটি নতুন বছরে আর রাখতে চাই না। ছেড়ে তো দেবোই, শেষ বারের মতো সাধ মিটিয়ে খেয়ে নিই। নিজেকে শাসিয়ে, তবে হ্যা আর ধূমপান নয়- এমন চিন্তা করেন অনেক ধূমপায়ী। ঠিক এই চিন্তা করেই আরও বেশি

১০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানিতে !


এক গ্লাস পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানিতে ১০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির কথা জানিয়েছেন গবেষকরা। তবে এটা শুনে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কেননা, এক গ্লাস পরিষ্কার বিশুদ্ধ পানিতে থাকা এই ১০ মিলিয়ন ব্যাকটেরিয়া ভালো ব্যাকটেরিয়া। পানি বিশুদ্ধকরণে এসব ব্যাকটেরিয়াই ভূমিকা রাখে। গবেষকরা দেখেছেন যে, খাওয়ার পানি বিশুদ্ধ হচ্ছে মিলিয়ন মিলিয়ন ভালো ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে, যা গবেষকরা পানি বিশুদ্ধকরণ প্লান্ট এবং পাইপের মধ্যে পেয়েছেন।

জ্বর, ঠাণ্ডা ও কাশি নিয়ে কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা

জ্বর, ঠাণ্ডা-কাশি নিয়ে আমাদের দেশে প্রচলিত কিছু ধারণা রয়েছে। জ্বর হলে এটা করা যাবে না, ঠাণ্ডা লাগলে সেটা খাওয়া যাবে না ইত্যাদি। এসব ধারণা বা নিয়মকানুন আদৌ সঠিক কিন‍া তা জানি না অনেকেই। অসুস্থতা বা খাবার সম্পর্কিত চিরাচরিত এসব নিয়মকানুন বা ধারণ‍া সবসময় সঠিক নয়। বরং কখনও কখনও দেখা যায় অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার ভয়ে যেটা খাদ্যতালিকা থেকে ছাঁটাই করছেন হয়তো সেটাই ওই অসুখের জন্য আদর্শ কোনো পথ্য। চলুন জেনে নিই-

শীতে যেসব সমস্যা বাড়ে

শীতে তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতাও কমে এবং শুষ্কতা বাড়ে। এতে শ্বাসনালির স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়। এ ছাড়া পরিবেশে ধুলাবালির পরিমাণও শীতকালে বাড়ে। সব মিলিয়েই সৃষ্টি হয় নানা রকম সমস্যা। এ সময় মূলত শ্বাসতন্ত্রের অসুখ-বিসুখ বেশি দেখা যায়।
ঠান্ডা, শুষ্ক বাতাস হাঁপানি রোগীর শ্বাসনালিকে সরু ও সংবেদনশীল করে দেয়। ফলে হাঁপানির টান বাড়ে। ব্রংকাইটিসের রোগীর বাড়ে কাশি। শিশু, বৃদ্ধ, ধূমপায়ী এবং হাঁপানির রোগীদের জন্য শীতের সময়টা বেশ দুর্ভোগের। আবার এ মৌসুমে ভাইরাস ও অ্যালার্জিজনিত সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি সমস্যা বেশি দেখা যায়। শীতের প্রকোপে শুধু ফুসফুস নয়, সাইনাস, কান ও টনসিলের প্রদাহও বেড়ে যায়। নিউমোনিয়ার আক্রমণও এই সময়ে বেশি হয়।
আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথার সমস্যাও শীতে বাড়তে পারে। মূলত বয়স্কদেরই এ সমস্যা হয়। এই সময় অনেকের ত্বক আরও শুষ্ক হয়, ফেটে যায় এবং চর্মরোগ দেখা দেয়।


শীতকালে যেসব সতর্কতা জরুরি:

* হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ব্রংকাইটিসের রোগীরা ইনহেলার ও প্রয়োজনীয় ওষুধপথ্য মজুত রাখবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়মিত ব্যবহার

কালোজিরার অবাক করা ৭টি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা



সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নিজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা  ও কালঞ্জি ইত্যাদি। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। যে নামেই ডাকা হোকনা কেন এই কালো বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম।
ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। আসুন আমরা আজ আশ্চর্য বীজ কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।

১। চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে

কালোজিরার তেল চুলের কোষ ও ফলিকলকে চাঙ্গা করে ও শক্তিশালী করে যার ফলে নতুন চুল সৃষ্টি হয়। এছাড়াও কালোজিরার তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায়।

২। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে

ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
  • মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন,  এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
  • যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।
  • শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

    ৩। ব্লাড প্রেশার কমায়

    এক গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, কালোজিরা খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে পারে এবং রক্তচাপ কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় রাখতে পারে।

    ৪। শ্বাসপ্রশ্বাস এর সমস্যা কমায়

    আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে যে সর্দি, কাশি ও জ্বর হয় সেসবের যন্ত্রণাকর উপসর্গের তীব্রতা কমাতে পারে কালোজিরা।

    ৫। হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

    Medical Science Monitor journal এ প্রকাশিত প্রতিবেদনের মাধ্যমে জানা যায় যে, নিয়মিত কালোজিরা খেলে মৃগীরোগ আছে এমন শিশুদের হৃদপিণ্ডের অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। কালোজিরায় খিঁচুনি বন্ধ করার উপাদান থাকে।

    ৬। টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিরাময় করে

    গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, প্রতিদিন ২ গ্রাম কালোজিরা খেলে রক্তের সুগার লেভেল কমায়,  ইনসুলিনের বাধা দূর করে এবং অগ্নাশয়ে বিটা কোষের কাজ বৃদ্ধি করে।

    ৭। পারকিনসন্স রোগের প্রতিকারে

    কালোজিরায় থাইমোকুইনিন থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তদের দেহে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের সুরক্ষায় কাজ করে।
    এছাড়াও হাইপারটেনশন, স্ট্রোক, স্থূলতা, অ্যাজমা, ক্যান্সার, গলাব্যাথা ইত্যাদির নিরাময়ে কাজ করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে অপারেশনের দাগ দূর করে, ব্রেইন টনিক হিসেবে কাজ করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
    নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের অভ্যন্তরের ও বাহিরের অংশের জন্য উপকারি। সুতরাং সুস্বাস্থ্যের জন্য নিয়মিত কালোজিরা খান।